Saturday, December 6, 2008
Wednesday, November 26, 2008
সত্যজিতের রবীন্দ্রনাথ - তথ্য থেকে চিত্রে
সত্যজিতের কাহিনীচিত্রগুলি নিয়ে যাঁরা গবেষণা করেছেন তাঁরা সকলেই ছবিগুলির চিত্রভাষ্যের কথা বলেছেন। তাঁর ছবির দৃশ্যাবলীর নির্মাণ, চিহ্ন ও প্রতীক দর্শককে বরাবর মুগ্ধ করেছে। অসুস্থ হয়ে পড়ার আগে (ঘরে বাইরে-র আগে পর্যন্ত) তাঁর ছবির চলন ছিল দৃশ্য থেকে শব্দের দিকে।। সেখানে এই যাত্রার মুখ শব্দ থেকে দৃশ্যের দিকে বা তথ্য থেকে চিত্রের দিকে। এ কথা তাঁর সব তথ্যচিত্রের ক্ষেত্রেই বলা যায়। ব্যাপারটা বুঝতে রবীব্দ্রনাথ ছবিটিকে নেওয়া যাক।
যাঁকে নিয়ে ছবি সেই মানুষটিকে হেলাফেলা করা চলে না, অগ্রাহ্য তো আজও করা গেল না। যাঁর জন্ম ও মৃত্যুর দিন বাঙালির তেরো পার্বণের সঙ্গে যুক্ত হয়ে বারো মাসে পনেরো পার্বণে পরিনত হয়েছে। এই ছবির শুরুতে বলা হচ্ছে, “On 7th August 1941… in the city of Calcutta… a man died।” চমকে ওঠার মতো একটা ধারাভাষ্যের লাইন। রবীন্দ্রনাথকে তাঁর নাম দিয়ে সম্বোধন না করে কেবল “a man” বলে সম্বোধনের স্পর্ধা কেন দেখালেন সত্যজিত (তিনিও ভবিষ্যতে বাঙালা চলচ্চিত্রের রবীন্দ্রনাথ হয়ে ঊঠবেন বলে)? ছবিতে তখন দেখা যাচ্ছে, কলকাতার রাস্তা জুড়ে অগণিত মানুষের স্রোতে। তাদের কাঁধে চেপে কবির মরদেহ ভেসে চলেছে নিমতলা ঘাটের দিকে। মনে হচ্ছে, এই বুঝি ঠেলাঠেলির চোটে তা ছিটকে পড়বে রাস্তায়। এই দৃশ্য অরোরা ফিল্মসের সংগ্রহশালা থেকে উদ্ধার করে সত্যজিতই প্রথম জনসমক্ষে নিয়ে আসেন। সেখানে যে ঠিক কী হচ্ছে, তা বোঝা কঠিন। ওই দিন এই শেষযাত্রাকে ঘিরে চুড়ান্ত নৈরাজ্যর স্মৃতি আমরা নানান লেখায় পড়েছি। ছবিতে যার প্রমাণ স্পষ্ট। এমন একটি দৃশ্যের দিকে তাকিয়ে থাকলে মনের মধ্যে কেমন একটা অসহায়তা ফুটে ওঠে না কি? তখন মনে হয় না কি এ কি করছে মানুষগুলো! কার দেহ নিয়ে তারা চলেছে, তা কি ভুলে গিয়েছে? মানুষটি কি এমন হেলাফেলার যোগ্য? এই অনুভুতির সঙ্গে তখন অনায়াসে খাপ খেয়ে যায় সত্যজিতের উক্তি “a man”, তাই না? যে চলনের কথা বলে শুরু করেছিলাম, দেখা যাচ্ছে ছবির শুরুতে তা ঘটেছে দৃশ্য থেকে শব্দের দিকে। বেশ, কিন্তু তারপর?
এরপরই কিন্তু চলন গিয়েছে ঘুরে। ‘his mortal remains perished but he left behind him a heritage that no fire could consume…’ ছবি বদলে গেল অন্ধকারের মধ্যে প্রজ্জ্বলিত এক চিতার দৃশ্যে। শুরু হল শব্দ থেকে দৃশ্যের দিকে যাত্রা। চিতাটি জ্বলছেই চলেছে আর ভাষ্যকার বলে চলেছেন, “It is a heritage of words and music and poetry, of ideas and of ideals, and it has the power to move us, to inspire us today and in the days to come. We, who owe him so much salute his memory। ছবি বদলায়। দেখা যায় দিগন্তে সূর্যোদয়। ভেসে ওঠে গান, ‘জয় হোক নব অরুণোদয়, জয় হোক’। আবার শব্দ থেকে দৃশ্যের দিকে যাওয়া।
সত্যজিৎ তা হলে কোনও স্পর্ধা দেখান নি, বরং অত্যন্ত নম্রভাবে প্রণাম জানিয়েছেন তাঁকেই, যিনি ভেতরে-ভেতরে তৈরি করেছেন তাঁকে। যাঁর মৃত্যুর খবর বন্ধু শিল্পী দীনকর কৌশিকের সঙ্গে শান্তিনিকেতনের খোয়াইয়ে বেড়াতে গিয়ে তিনি পেয়েছিলেন, আর তৎক্ষণাৎ ঠিক করেছিলেন শান্তিনিকেতন ছাড়বেন। কারণ, ততদিনে তিনি ভাবতে শুরু করেছেন, জীবনে কী করবেন, কী হয়ে উঠবেন। মনে হয়েছিল, ভারতে শিল্পের নানা ধারায় তো এসে গিয়েছেন নন্দলাল (চিত্রকলা) রবীন্দ্রনাথ (সাহিত্য) রামকিঙ্করের (ভাস্কর্য) মতো দিকপাল মানুষ। সঙ্গীতে তো কথাই নেই। তা হলে স্থান কোথায় তাঁর? শিল্পের এমন কোন অলিন্দে গিয়ে দাঁড়াবেন তিনি, যেখানে তাঁকে ধারণ করার মতো ‘জায়গা’ আছে! তাই বেছে নিয়েছিলেন বিংশ শতাব্দীর এক নতুন শিল্প মাধ্যম চলচ্চিত্রকে।
সত্যজিতের তথ্যচিত্রগুলি শুরু হয় খুব সহজ ধারাভাষ্যের লাইন দিয়ে। যেমন, “on 7th of August, 1941, in the city of Calcutta, a man died” (রবীন্দ্রনাথ)। অথবা “এই ছবিগুলোর সঙ্গে পরিচিত নন, এমন বাঙালি খুব কমই আছেন” (সুকুমার রায়)। কিন্তু ক্রমশ ছবি দু’টি পৌঁছে যায় এক অপার গভীরতায়। অনেকটা রবীন্দ্রনাথের গানের মতো। ‘রবীন্দ্রনাথ’ তথ্যচিত্রে সেই সূর্যোদয়ের ছবির ওপর ফুটে উঠছে টাইটেল, Films Division Presents/ Rabindrath Tagore এবং Through Satyajit Ray। এই ‘Through’ ব্যাপারটা লক্ষ্য করার মতো। অর্থাৎ বিরাট এক ব্যক্তিত্বের জীবনী আমরা প্রত্যক্ষ করতে চলেছি আর এক প্রতিভাধর ব্যক্তিত্বের মধ্যে দিয়ে। রতন চেনাচ্ছে রতনকে, আমরা দর্শক মাত্র। এই চেনার সঙ্গে আমাদের চেনা মিলতেও পারে, আবার নাও পারে। সে আলোচনার ক্ষেত্র আমার এক্তিয়ারের বাইরে।
সত্যজিতের তথ্যচিত্র নির্মাণের যে ধরন, তার আদিতে থাকত তথ্যের ধারাভাষ্য বা উচ্চারিত শব্দমালা ও সঙ্গীত। যার সঙ্গে তাল রেখে আসত ছবি বা শট। মনে হয়, ছবির বিষয় নিয়ে তথ্য সংগ্রহের পর তিনি প্রথমেই লিখতেন ধারাভাষ্যটি। সেটি লেখার সময় খেয়াল রাখতেন, কী কী চলমান দৃশ্য বা স্থিরচিত্র তাঁর হাতের কাছে রয়েছে, সেগুলি কেমন বা কতটা জোরালো এবং কার্যকরী। সেই অনুযায়ী তিনি ধারাভাষ্যের শব্দ চয়ন করতেন বা চয়ন করা শব্দের অনুযায়ী ছবি তৈরি করতেন। যেমন ‘no fire could consume’ লাইনটির সঙ্গে জলন্ত চিতার দৃশ্যের ব্যবহার। অথবা রামমোহন, দেবেন্দ্রনাথ, দেবেন্দ্রনাথের মাতামহ, বালক ও তরুণ রবীন্দ্রনাথের ছবির অভাবে অভিনেতার সাহায্য অভিনীত দৃশ্যের ব্যবহার। এসব ক্ষেত্রে ধারাভাষ্যের লাইনই প্রাধান্য পেয়েছে। সেটা করতে গিয়ে ছবির পরিধির যতটা প্রয়োজন পড়েছে, তাঁকে তৈরি করে নিতে হয়েছে নিজের কল্পনা দিয়ে। আর তাতেই চলনের গতিমুখ বদলেছে। এমন উদাহরণ আরও দেওয়া যায়।
তথ্যচিত্র তৈরির এই পদ্ধতিকে আমরা পেয়েছি ইংরেজদের কাছ থেকে। টেলিভিশন আসার আগে পর্যন্ত এই পদ্ধতিই মোটামুটি ভাবে চালু ছিল সব দেশে। ইংরেজ তথ্যচিত্রকার John Grierson ও মার্কিন তথ্যচিত্রকার Robert Flaherty- কে এই ধারার জনক বলা হয়। আজও আমাদের দেশে যে সব তথ্যচিত্র তৈরি হয়, তাতে এই ধারাটির ছাপই স্পষ্ট ধরা পড়ে। তবে এর মধ্যেও রকমফের আছে। ধারাভাষ্য অনুযায়ী দৃশ্য যুক্ত করার কাজটা সহজ নয়। এখানেই দরকার হয় পরিচালকের কল্পনা ও সম্পাদনার মুন্সিয়ানা। সত্যজিতের তথ্যচিত্রে এই মুন্সিয়ানার ও কল্পনার ব্যপ্তি অবাক করার মতো। ভাষ্য পাঠের ধরন, সঙ্গীতের ব্যবহার ও শব্দের পরতের সঙ্গে ছবি বা শটের মেলবন্ধন তাঁর তথ্যচিত্রে এমন এক ছন্দের, আবেশের জন্ম দেয়, যা সহজে দেখা যায় না। এখানেই তাঁর তথ্যচিত্রের অন্যন্যতা। আর যে ব্যাপারটা তাঁর কাহিনী চিত্র তথা তথ্যচিত্রের ক্ষেত্রে সমান সত্যি, তা হল পরিমিতের বোধ। এ লোভ সামলানো বড় সহজ কাজ নয়।
তবে আজকের দিনে সত্যজিতের তথ্যচিত্রগুলি দেখতে বসে একালের চলচ্চিত্রকারদের যেটা চোখে পড়বে তা হল, প্রযুক্তিগত খামতি। ‘রবীন্দ্রনাথ’ ছবিতেও তার প্রমাণ পাওয়া যায়। কিন্তু মনে রাখতে হবে, সত্যজিতের সময় পর থেকে আজ অবধি চলচ্চিত্র তৈরির প্রযুক্তি অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছে। তাঁর সময়ে যে সব ক্যামেরা বা সম্পাদনার যন্ত্র ব্যবহার হত, তা দিয়ে আজ যতটা নিখুঁত পর্যায়ে আমরা পৌঁছতে পারি, ততটা একেবারেই অসম্ভব ছিল। ফলে ক্যামেরা নাড়ানোচড়ানোর মাঝে ছোটখাটো হোঁচট বা শট কাটার ক্ষেত্রে সঠিক ফ্রেমটিকে না ধরতে পারা বা শব্দের মিশ্রণসুক্ষতার অভাব—এই ব্যাপারগুলো ত্থেকেই গিয়েছে। তখন সিনেমা তৈরি করা ব্যাপারটা ছিল কায়িক শ্রমের সঙ্গে যুক্ত। চলচ্চিত্রকারের ঘাম রক্তের সঙ্গে মিশে থাকত সেকালের সিনেমা। আজ সবটাই ইঁদুরের (মাউস) কারবার।
তবু বলতে হয়, এত কিছু পেয়েও আমরা আজও পারিনি আর একটি ‘রবীন্দ্রনাথ’, ‘ইনার আই’, ‘বালা’, ‘সিকিম’ বা ‘সুকুমার রায়’ তৈরি করতে। কিন্তু তথ্যচিত্রগুলির দিকে তাকালে আমরা দেখব, এই চলনটাই কেমন বদলে গিয়েছে আর তখনই মনে প্রশ্ন জাগে, সিনেমা ব্যাপারটা কি শুধুই প্রযুক্তিগত শিল্প না কি মজ্জাগত? এর প্রধান কারণ, তথ্যচিত্র ব্যাপারটা নিয়েই আমাদের দেশের মানুষের এক ধরণের উদাসীনতা
Friday, September 12, 2008
Tuesday, September 9, 2008
Wednesday, August 20, 2008
Prajapatir Janmo
Monday, July 7, 2008
Thursday, July 3, 2008
Monorama
Wednesday, June 25, 2008
I salute Him
The following news appeared in screenIndia recently. It made me feel may be all are not lost. Cinema still exists some where out there. I salute Mr. Priyanandan and wish him success. Read on-
Dream come true
The child labourer who made the country’s best feature film of 2006 is worried by all the adulation. “My films are intensely cathartic to me and I doubt if they will ever make money. But I can’t negate myself and do some crass commercial film for my family’s sake... and after the publicity, I can no longer expect people to give me a manual job in my village anymore, either,” says Priyanandanan, 42, whose Pulijanmam won the national award announced on Tuesday.
The son of a poor village sculptor of wooden elephants (“Elephants were all that my father sculpted all his life”), Priyanandanan discovered theatre early. “My heart was always in theatre, and I used to beg for small roles in plays staged in the village during festivals and then moved on to bigger roles. The more I came to know plays, the more I knew that there was a whole lot more to it than commercial nonsense. I started seriously reading up everything that I could get in the libraries on theatre, went around meeting the top playwrights and directors in Kerala and finally began directing plays on my own,” he says.
Though the small bands of serious theatre lovers applauded, he was jobless and running up huge debts – even his tiny village home was attached. So films were a natural progression. For seven years, Priyanandanan struggled under some of Kerala’s eminent parallel film makers, until he picked up the courage to try out his maiden film, Neythukaran (The weaver), running from one producer to another and being shown the door. Neythukaran fetched three awards, including the national award for best actor.
As Kerala toasted Priyanandanan, few knew what he had been through to make that movie even after it got off the block. “Producers walked out half-way, actors, technicians and everyone else had to forgo their charges – friends had to beg and borrow to rent theatres for a single screening, because no one wanted a non-commercial movie,” he says.
Even after Neythukaran fetched rave reviews, Priyanandanan kept trudging all over for months for someone to produce Pulijanmam. “I was told, advised, even sneered at for lugging a script and a concept that would never make money. Until a producer, M G Vijay, told me to go ahead.”
Priyanandanan is unfazed that not many people would be watching his national award-winning movie. “I would be more than happy if at least one movie house in one district each shows it just once a day. I would be content if it is watched by a few people who know and believe in the strength and potential of movies,” he says.
He is already doing the spadework for his next movie, based on a popular Malayalam literary work, Yakshi. He expects that too to be no cakewalk, especially after even the Kerala government’s promised subsidy of Rs 4 lakh for his Pulijanmam has somehow got stuck.
Sunday, March 30, 2008
About Monorama
মনোরমা, বয়স পঞ্চাত্তর পেরিয়েছে। এই পৃথিবীতে তিনি পরিত্যক্ত ও একা। তাঁর পরিবার বলতে যা ছিল তার কিছুই আজ আর অবশিষ্ট নেই। একমাত্র ছেলে বাইরে থাকে। মায়ের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ নেই। মৃত্যুর পর সামান্য ফ্যামিলি পেনশন সম্বল করে মনোরমা কষ্টেসৃষ্টে বেঁচে থাকেন একটি সরকারি আবাসনে। প্রতি মাসের প্রথম দিনটিতে তিনি বাড়ি থেকে বের হন ব্যাঙ্কে পেনশন তুলতে। তাছাড়া সারাদিনই নিজেকে আবদ্ধ রাখেন নিজের ছোট্ট দু-কামরার ফ্ল্যাটটিতে। চারপাশে কোথায় কী হচ্ছে তার খবর মোটামুটি রাখলেও, কোনো ব্যাপারেই নিজেকে জড়ান না। কিন্তু চারপাশের আর্থ সামাজিক অবস্থা তাঁকে তাঁর বদ্ধ জীবনের থেকে বাইরে টেনে আনে। সমস্যার শুরু মনোরমার পেনশন আটকে যাওয়া দিয়ে। অনেক অনরোধ উপরোধের পরও পেনশন সমস্যার সুরাহা হয় না। মাস মাইনে না পেয়ে তার একমাত্র অবলম্বন কাজের মেয়ে হাসি কাজ করতে অস্বীকার করে। প্রায় অশক্ত মনোরমা এরপর এমন এক বিপন্নতার দিকে এগিয়ে যান যে, তিনি বাধ্য হন কলকাতার রাস্তায় ভিক্ষে করার কথাও ভাবেন। এমনই এক সময়ে তিনি জানতে পারেন কলকাতার উন্নয়নের জন্য তাঁদের ভাঙাচোড়া হাউজিংটি সরকারি উদ্যোগে ভেঙে ফেলে ওই জমিতে নতুন বাড়ি, রাস্তা ফ্লাই ওভার ইত্যাদি তৈরির পরিকল্পনা প্রায় পাকা। সকলকে এবার ওই হাউজিং ছেড়ে যেতে হবে। যদিও সরকারের এই উদ্যোগ নিয়ে বাসিন্দাদের একাংশের মধ্যে ক্ষোভ রয়েছে। তাঁরা এই নিয়ে আবাসনের মধ্যেই ধর্না দিলেও মনোরমা নিজের স্বভাবের কারণে এতদিন কিছুই তেমন করে খেয়াল করেন নি। বিপন্ন মনোরমা বুঝতে পারেন এবার তাঁর শেষ আশ্রয়টুকুও তিনি হারাতে বসেছেন। হতাশ, মরিয়া, বিপন্ন মনোরমার আর্তি যেন সারা পৃথিবীর আশ্রয়চ্যুত মানুষের আর্তির সঙ্গে মিশে যায়। আবাসন সংলগ্ন হাসিদের বস্তি উচ্ছেদ দিয়ে সরকারি উন্নয়ন প্রকল্প রূপায়নের কাজ শুরু হয়। মনোরমাদের আবাসন ছেড়ে যেতে বলা হয়। প্রতিবাদীদের ধর্না মঞ্চ ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। বাধ্য হয়ে মনোরমা তাঁর শেষ আশ্রয় ছেড়ে অনির্দিষ্ট, অনিশ্চিত এক পথে যাত্রা শুরু করতে গিয়ে মুহুর্তের জন্য থামেন ভেঙে ফেলা ধর্না মঞ্চের সামনে। আর তারপরই বদলে যায় সব কিছু। সাধারণ মনোরমা হয়ে ওঠেন অ – সাধারণ।